ছোট গল্পঃ লালু

সাহিত্য

লেখকঃ সাইফুল আলম

রাত প্রায় ১১টা!
গ্রোসারি শপের টিটুকে ফোনে টুকটাক চাল, ডাল, চা, চিনি গুঁড়াদুধ ইত্যাদির অর্ডার দিয়ে ওর ফিরতি কলের অপেক্ষায় বসে আছি!

বাইরে লকডাউন চলছে!
মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন একটি শব্দ ছিল ব্ল্যাক আউট!
পার্থক্য শুধু লকডাউন দিনে রাতে চব্বিশ ঘন্টা!
আর ব্ল্যাক আউট চলত শুধু রাতে!

টিটু ফোন করল
-স্যার মাল রেডি!
-দাঁড়াও আসছি!
-স্যার তাড়াতাড়ি আইসেন-রাস্তায় আর্মি নামছে-আটকায়!
অবশ্য নিত্যপণ্য কিনার কথা কইলে ছাইড়াও দেয়–তয় ‘সোছাল ডিশটেন’ মাইন্যা চলতে অয়!

আমি চুপ করে চোরের মত ঘর থেকে বেরুলাম!
হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক, চোখে চশমা, গলায় মাথায় একটা মাফলারও পেঁচিয়ে নিয়েছি-উদ্দেশ্য কেউ যেন না দেখে। গলি মুখে বেরিয়েই দেখি রাস্তা একেবারে ফাঁকা!
খাঁ খাঁ করছে। চার পাঁচটা কুকুর রাস্তায় শুয়ে আছে। পেট গিয়ে পিঠে ঠেকেছে।

আজ আমার গৃহবন্দীত্বের দশম দিন। অন্যদের মত চাল ডাল কিনে স্টক করিনি অবশ্য স্টক করার সামর্থ্য এবং ইচ্ছা কোনটাই আমার নেই।

রাস্তাঘাট ফাঁকা দেখে মনটা ভাল হয়ে গেল। বাহ! বাঙালী এত সভ্য হল কবে? সন্ধ্যার দিকেও চায়ের দোকান গুলোতে বেশুমার আড্ডা চলছিল। কিছুক্ষন আগেই আর্মি জীপ এসে ঘুরে গেছে। মহল্লার চা দোকান বন্ধ করে দিয়ে গেছে। অনাহুত লোক সমাগম নিষিদ্ধ করে গেছে। আমার পুত্র বারান্দা দিয়ে সব দেখেছে। ও খুশিতে ডগমগ!

-বাবা কোনার চা দোকানী নূরুকে আজ আর্মিরা হেভি সান্টিং দিছে!
-ফিজিক্যালি?

-না আরো ভয়াবহ। আমি বারান্দা থেকে নুরুর ঢোক গিলা দেখেছি।

আর্মি বলছিল: শোন নূরু, প্রথম বার তোমাকে চা’র দোকান না খোলার জন্য বলে গেলাম! এরপর যদি দেখি দোকান খুলেছ-এই যে তেল ঢালার ‘টি’ টা দেখছ! এটা তোমার পশ্চাতদেশে প্রবেশ করানো হবে! দ্যান এই গরম কেটলির পুরো চা ওখান দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে আন্ডারস্ট্যান্ড?
-স্ট্যান্ড!
-গুড!

বাসা থেকে ১০মিনিটের হাঁটার দূরত্বে গ্রোসারি! কোন রিক্সা নেই! করোনা সংকটের কারনে টিটুর হোম সার্ভিসও বন্ধ!
অগত্যা হেঁটে হেঁটেই যাচ্ছি!

মৃদুমন্দ বাতাস বইছে! চৈত্রের শেষাশেষি! পেছন পেছন একটা কুকুর আসছে! আমি ধুরধুর করে তাড়িয়ে দিচ্ছি!
আবার আসছে! আবার তাড়িয়ে দিচ্ছি!

-স্যার স্লামালাইকুম!
আমি চমকে উঠলাম! কে? কে কথা বলল?
-কথা বলি নাই স্যার! সালাম দিছি!
সালাম দেওয়া সুন্নত; নেওয়া ওয়াজিব স্যারের কি জানা আছে?
-ওয়ালাইকুম! কে?
-আমি লালু স্যার!
-লালু? কে লালু? কোথাকার লালু? আমি কাউকে দেখছি না কেন?

-দেখেন স্যার! পিছন ফিরা দেখেন! আপনে মুরুব্বী মানুষ আপনের আগে আগে যাওন বেয়াদবি!
-য়্যাই কুত্তা! য়্যাই!তুই-তুই কথা বলছিলি?
-স্যার! আমি কুকুর! কুত্তা না! আর তুই তুকারি করেন কেন?

-সরি!
আমি অবাক বিস্ময়ে চেয়ে দেখি আমাদের গলি মুখ পাহারা দেয়া বিনা বেতনের সেই লালু কু–উ–সরি লালু কুকুরটা!

রোদ, বৃষ্টি, ঝড় ঠিক রাত ৯টায় এসে হাজির! কোন ক্লান্তি নেই, কামাই নেই লালু হাজির! কে খাওয়ায়, কে পরায় কোনই অভিযোগ নেই লালুর! খেয়ে থাকুক না খেয়ে থাকুক লালু হাজির!

সেই লালু আমার সাথে কথা বলছে! অথবা আমি লালুর ভাষা বুঝতে পারছি!
ইয়া আল্লাহ-রক্ষা করো!
কোয়ারেন্টাইনে পুরো মাথাটাই আমার খারাপ হয়ে গেছে!

-স্যার আপনে এখন কি ভাবতেছেন বলি?
-বল!
-আপনে ভাবতেছেন আপনার মাথা খারাপ হইয়া গেছে!
এইটা ভুল তথ্য!
আসলে এই প্রথম আপনার মাথা কাজ করা শুরু করছে!

-এতদিন আমার মাথা কাজ করে নাই?
মনে মনে বল্লাম-শালার কুত্তায় কয় কি?
-জ্বী জনাব! পুরাপুরি করে নাই!
আপনে আবার আমারে কুত্তা কইলেন!
আমি চমকে উঠলাম! হায় খোদা!
মনে মনেও কিছু কইতে পারুম না?

-এতদিন আপনে পশুর জীবন যাপন করছেন! নিজে খাইছেন আর ছোটঘরে গিয়া বড়কাম করছেন! পৃথিবীতে মানুষ ছাড়াও যে আরো প্রানীকুল আছে, আল্লাহ পাক তাদের রিজিক আপনেগো হাত দিয়াই বন্টনের ব্যবস্থা করছেন! একবারও তাগো কথা চিন্তা করেন নাই!

-ঠিক! চিন্তা করি নাই!
-এখন আপনে লক ডাউনে পইড়া, গরীব মানুষের সাথে সাথে আমাগো কথাও চিন্তা করতাছেন!

বাড়ির গেটে আপনের ডাক্তার পোলা ফোন কইরা কইল-
-বাবা! কুকুর গুলারে কেউতো খাওন দেয়না! এরা বাঁচব ক্যামনে?
আপনে বললেন-সেটাই তো ভাবছি চিন্তার বিষয়! ভীষন চিন্তা!

আপনে এখন ডিসিশন নিছেন ৪/৫ টা পাউরুটি কিইন্যা নিয়া যাইবেন, আমারে আর আমার ফ্রেন্ডগুলিরে দিবেন!
ঠিক কইছি না স্যার?

-ঠিক বলেছ মি:লালু!
-মি: বলার দরকার নাই জনাব!
লালু বললেই হবে-শুধু কুত্তা বইলেন না!
ইজ্জতে লাগে!
আজকাল মানুষ মানুষরে কুত্তা কইয়া গালি দেয়!

-লালু আমিতো রীতিমত তোমারে ভয় পাচ্ছি!
যে মুখ পাতলা তুমি-কি বলতে কি বলে ফেল!
-অনেক কিছুই জানি স্যার! সব বলতে পারিনা!
-য়্যাই! য়্যাই লালু তুই কি জানিস?
কি জানিস?
আমারে ব্ল্যাকমেল করিস?

-ওহ হো! আবার তুই তুকারি?
-বল! বলে ফেল!
-লক ডাউনের আগে রাইত ১টার দিকে আপনের বান্ধবীরে বর্ধিত পল্লবীর গেটে নামানোর সময় গাড়ির ভিতরে গাঢ় কইরা একটা চুমা খাইছেন–খান নাই?

-ও মাই গড!
তুমি কি অন্তর্যামী?
-আমি চউক্ষুযামী!
ওই দিন ওইখানে আমার ডিউটি ছিল!

-তুমি কি করে বুঝলে উনি আমার বান্ধবী ছিলেন?
-এইডা বেক্কলেও বুঝে স্যার!
ঘরকা মুরগী ডাল বরাবর!
নিজের বউরে কেউ গাড়ির ভিতরে চুমা খায়?

তাছাড়া আমরা কুকুর জাতি চোখ দিয়াই সাধু আর চোর চিইন্যা ফেলি!
বড় বড় চোর ধরতে অবশ্য আমরা ঘ্রান শক্তি কাজে লাগাই!
আর ওই যে অন্তর্যামী না কি কইলেন! ওইডাও খোদাতায়ালা আমাগো কিঞ্চিৎ দিছেন!
আমাগো আয়ত্তের ভিতরে কোন মানুষ,গৃহপালিত জন্তু মারা যাওয়ার আগে আগে আমরা বুঝতে পারি আর কান্দি!

-স্যার-দ্যাশের অবস্থা ভালা না অনেক লোকক্ষয় হইব মনে হইতাছে!
-আর বলো না লালু–আমার গা হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসছে!

-স্যার! আরেক বিপদ কি জানেন? দ্যাশে চুরি ডাকাতি বাইড়া যাইব!
এইযে স্যার গলির ভিতরে ৩/৪টা অল্প বয়সী পোলা আড্ডা দিতাছে–এরা কি আলাপ করতাছে জানেন?

-না তো! এরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিতাছে!
এর আগে এরা ছোটখাটো ছিনতাই করছে!
-কি সাংঘাতিক! টার্গেট কোথায়?

-নোভা ক্যাডবেরি! আপনার ওই বিল্ডিং এর একজন দারোয়ানরে হাত করছে!
কাজ হবেনা মাঝখান থেইক্যা দারোয়ানের চাকরিটা যাইব!

-আমি এখন কি করব? লালু ভাই!
-ছি! ছি! লালু ভাইনা! লালু কুকুর! কুকুর আবার ভাই হয় ক্যামনে?

-সরি! আমার মাথা কেমন আউলা হয়ে যাচ্ছে! হ্যাঁ হ্যাঁ আমি এখন কি করব?

-কিচ্ছু করার দরকার নাই!
বাড়ি যান–বাড়িতে ঢুকার আগে সাবান দিয়া হাত ধুওন, পা’য়ে জীবাণুনাশক স্প্রে মারেন!
তারপর ইসমাইল, সাইফুল, পাপ্পু, আর খসরু স্যারগো জানান!
দেখবেন কেল্লা ফতে’হ!

-উনারা যদি জিজ্ঞেস করে’আপনি জানলেন কি করে’?আমি কি বলব-মি:লালু কুকুর বলেছে?
-না! না! তা কেন?
কইবেন গভীর রজনীতে অন্ধকারে আপনে ওদের আলোচনা শুনে ফেলেছেন!আমারে মি:বলার দরকার নাই!

-তথাস্তু! আমি লালু কুকুর ও তার ফ্রেন্ডদের জন্য ৪/৫ টা রুটি কিনলাম আর আমার বাজারের বস্তাটা এক হাতে ঝুলিয়ে নিলাম!

রুটি দেয়া মাত্রই ওরা রুটি গুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল-কেউ কারোটা ধরে কামড়াকামড়ি করল না!
আমি গেটে এসে অনেক তৃপ্তি সহকারে ওদের খাওয়া দেখছি! ইস! ক্ষুধায় কুকুর গুলোর পেট পিঠ এক হয়ে গেছে!
খাওয়া শেষ হলে কুকুর গুলো আমার পায়ের কাছে এসে কুঁই কুঁই করতে লাগল!
আমি তাড়িয়ে দেই ওরা যায়না!
লালু বলে,
-স্যার ওরা আর যাইবনা–আরো ডাকাতির কথাটা হেগো নলেজে দিয়া দিছি—আহুক শালার পুতেরা ছিঁড়া খাইয়া ফালামু!
স্যার আপনে ঘরে যান!

আমি অবাক বিস্ময়ে কুকুরগুলোর কৃতজ্ঞতাবোধ পর্যবেক্ষন করছি!
-স্যার জানেন!
লালু বলছে -গত দুইদিন দুইরাত একটু পানি ছাড়া আর কিছু খাই নাই। জটর জ্বালা বড় জ্বালা স্যার। ঘরে দুইডা বাচ্চা নিয়া আমার স্ত্রী-সেও অভুক্ত। তার আবার প্রেস্টিজ জ্ঞান বেশি! খাওনের লেইগ্যা রাস্তায় বাইর হইব না। প্রানীকুলে স্ত্রী জাতি হইল ত্যান্দোড় জাতি!
শেষ রাতের দিকে পেটের ব্যথায় কান্দছি। আমরা কুকুর!আমাগো চিকিৎসা দিব কে?

-আমাগো ত্রান দিতে কেউ আসে না! আমাগো কি ভোট আছে? মাঝে মধ্যে মনে চায় ইউরোপ চইলা যাই। পাংখা থাকলে উইড়া চইলা যাইতাম! আমার এক ফ্রেন্ড থাকে, এক সাহেব তারে নিয়া গেছিল! বছর তিনেক পর এই দ্যাশে আইছিল। খবর পাইয়া দেখতে গেলাম; শালা আর কুকুর নাইগো স্যার-মানুষ হইয়া গেছে!

কুকুরের কামই হইল ঈমানদারি, শালা পুরা মাইনষের মত বেঈমান হইয়া গেছে! ঘিন্নায় চইলা আইছি!

আমি হাসলাম, কুকুর মানুষের সংস্পর্শে এসে বেঈমান হয়ে গেছে! মানুষের লজ্জা হওয়া উচিৎ। লজ্জা!

লালু তাড়া দেয়-স্যার ঘরে যান রাইত হইছে।
-আরো কিছুক্ষন থাকি।
-এই দশটা দিন কি যে কষ্টে আছি স্যার, কেউ একটু খোঁজও নেয়না। এই যে গোটা এলাকাডা রাইতভর পাহারা দেই কেউ আমাগো বেতন দেয়?

বেতন দিয়া আমরা কি করুম? আমরাতো বাজার কইরা খাইনা, আপনেরা বাসি পঁচা যা দেন তাই খাই। ইট পাথরের শহর বড় কঠিনগো স্যার-বড় কঠিন। ভাবতাছি মহামারী গেলে গেরামে শ্বশুর বাড়ি চইলা যামু। আশেপাশের বাড়ির বারান্দা দিয়া একটা কইরা বুট ভুনা ফালাইলেও আমরা খাইয়া ঢোল হইয়া থাকতাম।

দশের থুথু একের গোছল তাইনা স্যার?
আমি নির্বাক! অচ্ছুৎ কুকুর জাতি আজ এই গভীর রজনীতে আমার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যা বলে গেল- তা আমাকে অনেক দিন ওদের সামনে হেয় করে রাখবে!

মানুষনা ‘আশরাফুল মাক্বলুকাত’? এই তার চরিত্র? সে শুধু নিজেরে নিয়েই ভাববে?

পকেট থেকে সিগারেট বের করে ধরালাম!
ফাঁকা রাস্তা, সুনসান নিরব। আমি রাস্তায় হেঁটে হেঁটে সিগারেট খাচ্ছি। একটু একটু পশ্চিমের ঠান্ডা হাওয়া বইছে।
-স্যার চলেন আমার ছোট্ট ডেরাডা দেহাইয়া আনি!
-তোমার ডেরা কই?
-এই যে ক্যাডবেরির পাশেই শাহ আলম স্যারর খালি প্লটটা!
-তাই নাকি? চল যাই!

আমি আর লালু পাশাপাশি হাঁটছি!
হাসি পেল-হে-হে-লালুর বাড়ি!
-স্যার দেখলেন আপনে আমার বাড়ি কওনে তাচ্ছিল্য করলেন!

আমি আবার চমকে উঠি-ইয়া আল্লাহ, এই লালুরে তুমি মন পড়ার ক্ষমতা দিছ-সামান্য কুকুর-সারমেয়। আর আমি সৃষ্টির সেরা জীব-মানুষ, অন্যের মনের খবর লইতে পাইনা!
এতে কত বিপদ হয় তাতো তুমি জানই। বন্ধু বন্ধুরে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে খুন করে ফেলে! এক মিনিট আগেও ভিকটিম জানতে পারেনা-ওকে মারার জন্য আনা হয়েছে।

লালুর ডেরায় চলে এসেছি! লালু ডাকে,
-রানী উঠো স্যার তোমারে দেখতে আইছে!

আমার গিন্নির জন্য একটা বনফুলের স্লাইস ব্রেড নিয়েছিলাম হাতেই আছে। আমি অপ্রস্তুত হয়ে সেটাই রানীকে দিলাম। আহা! দু’টো বাচ্চা সহ রানীও উপোষ করছে।

রানী বাচ্চা গুলোরে আগে খেতে দিয়ে এবার নিজে খাচ্ছে। গরবিনী মা অপলক চেয়ে আছে ছা’ দু’টির দিকে। হায়রে মা! প্রানীকুলে মায়ের চেয়ে মমতাময়ী আর কেউ কি আছে? রানীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম।
লালু আবার আমার পিছন পিছন আসতে লাগল!

-স্যার আপনেতো সরকারের উঁচা পদে আছেন। আপনেরে চুপি চুপি একটা কথা জিগাই? সারাদিন অলিগলি ঘুরি তো, আমার কানে কথাগুলো আসে। কইতে পারেন জানার কৌতূহল। আমরা যারা বেওয়ারিশ কুকুর- বিড়াল এই মহা দূর্যোগে এদের জন্য কি কেউ কিছু ভাবে?

আমি ধমক দিলাম-লালু আদার ব্যাপারী জাহাজের খোঁজ নিওনা তো! তোমার মুখ সবসময় এত ফরফর করে ক্যান?

লালু লজ্জিত হয়ে জিভ কাটল!
-আর শোন কাল থেকে আমাদের কেয়ার টেকার জহুরুল আমার হয়ে তোমাদের খাবার কিনে দেবে-অসুবিধা হলে আমারে জানাবা!

স্যার এই মাতুব্বরি যেন জালালরে দিয়েন না! সে হইল একটা—!
-আবার ফর ফর?

লালু লজ্জা পেয়ে দূরে সরে গেল, তীক্ষ্ণ নজরখানি পড়ে রইল ক্যাডবেরির প্রধান ফটকের উপর-যেখানে আজ ডাকাতি হওয়ার কথা রয়েছে!

কমেন্ট করুন